দ্রুত • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি • বাংলা/ইংরেজি
কুড়িগ্রাম লোগো
কুড়িগ্রামকুড়িগ্রামের সোগ এডাই!
কুড়িগ্রাম
কেনা-বেচা
সাইন ইনযোগ দিন
কুড়িগ্রাম লোগোকুড়িগ্রাম
কেনা-বেচা
প্রতিষ্ঠানসমূহস্থান ঘুরে দেখুনচাকরিপ্রাইভেট টিউশনকুড়িগ্রাম সংযোগ
নাগরিক আপডেটLIVEসংবাদ আপডেটফেসবুক আপডেট
সাইন ইনযোগ দিন
লোড হচ্ছে...

লোড হচ্ছে...

কুড়িগ্রামের সোগ এডাই!

কুড়িগ্রামের স্থান, মানুষ, ইতিহাস, চাকরি ও খবর এক জায়গায়

সংক্ষিপ্ত লিংক

  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ করুন

আইনগত

  • গোপনীয়তা নীতি
  • পরিষেবার শর্তাবলী
  • দাবিত্যাগ

© 2026 কুড়িগ্রামের সোগ এডাই!. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

♥কুড়িগ্রামের মানুষের এর জন্য নির্মিত

কুড়িগ্রামকে জানুন নতুনভাবে

স্থান, ইতিহাস, মানুষ, প্রতিষ্ঠান, নির্বাচন ও স্থানীয় তথ্য সহজে খুঁজুন।

স্থান ঘুরে দেখুনচাকরি

দরকারি সেবা দ্রুত খুঁজুন

জায়গা, চাকরি, টিউশন, বেচাকেনা ও আপডেট—এক জায়গায়।

প্রাইভেট টিউশন

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য টিউশন

প্রতিষ্ঠানসমূহ

স্কুল, কলেজ ও প্রতিষ্ঠান

শীর্ষ শিরোনাম

কুড়িগ্রাম সম্পর্কিত সর্বশেষ খবর

কুড়িগ্রাম সংযোগ

দূরে থেকেও কুড়িগ্রামের সাথে যুক্ত থাকুন

নাগরিক আপডেট

কুড়িগ্রামের আপডেট দেখুন, শেয়ার ও আলোচনা করুন

সর্বশেষ স্থানসমূহ

বিস্তারিত দেখুন →
বড়াইবাড়ি স্মৃতিস্তম্ভ
রৌমারী, কুড়িগ্রাম

বড়াইবাড়ি স্মৃতিস্তম্ভ

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় অবস্থিত ‘বড়াইবাড়ি স্মৃতিস্তম্ভ’ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী। এটি স্থানীয়ভাবে ‘বড়াইবাড়ি শহীদ মিনার’ বা ‘বড়াইবাড়ি বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ’ নামেও পরিচিত। ভৌগোলিকভাবে ভারত সীমান্তঘেঁষা এই স্থানটি রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি গ্রামে অবস্থিত, যা তৎকালীন সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৬০-৬৫ কিলোমিটার; সড়কপথে রৌমারী উপজেলা সদরে পৌঁছে স্থানীয় যানবাহনে সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। এই স্থাপনাটি মূলত ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল বিএসএফ-এর সাথে সংঘটিত ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত। দর্শনার্থীদের জন্য এটি একটি আবেগময় ও ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে প্রতি বছর বিশেষ দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এই যুদ্ধের সময় রৌমারী অঞ্চলটি ছিল মুক্তাঞ্চল, যেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তৎকালীন বিডিআর সদস্যরা সাহসিকতার সাথে সীমান্ত রক্ষা করেছিলেন। ইতিহাসপ্রেমী ও পর্যটকদের জন্য এই স্মৃতিস্তম্ভটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

00
চিলমারী নদী বন্দর
চিলমারী, কুড়িগ্রাম

চিলমারী নদী বন্দর

কুড়িগ্রাম জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত চিলমারী নদী বন্দরটি ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়ভাবে এটি ‘চিলমারী বন্দর’ নামে পরিচিত হলেও ব্রিটিশ আমলে এটি ‘জমিদারহাট’ নামেও পরিচিত ছিল। ভৌগোলিকভাবে এটি নদীবন্দর হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে এটি মূলত একটি ফেরিঘাট ও নৌ-চলাচলের কেন্দ্রবিন্দু। কুড়িগ্রাম শহর থেকে সড়কপথে বাস বা সিএনজিযোগে এখানে পৌঁছাতে প্রায় ১ ঘণ্টা সময় লাগে। এই বন্দরের প্রধান আকর্ষণ হলো ব্রহ্মপুত্র নদের বিশাল জলরাশি এবং এর বুকে জেগে ওঠা অসংখ্য চর, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বিখ্যাত লোকসংগীত ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’ গানটির রচয়িতা আব্বাস উদ্দীন আহমেদের স্মৃতিবিজড়িত এই অঞ্চলটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ। বর্তমানে চিলমারী-রৌমারী রুটে ফেরি চলাচল করায় এটি যাতায়াত ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। প্রতি বছর বর্ষাকালে নদীবন্দরের রূপ ও এর আশপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য দর্শনার্থীদের জন্য এক অনন্য দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়।

00
ভিতরবন্দ জমিদার বাড়ি
নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম

ভিতরবন্দ জমিদার বাড়ি

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নে অবস্থিত ‘ভিতরবন্দ জমিদার বাড়ি’ এক ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন। স্থানীয়ভাবে এটি ‘ভিতরবন্দ রাজবাড়ি’ নামেও পরিচিত। একসময় এটি ছিল ভিতরবন্দ পরগনার কেন্দ্রবিন্দু, যা তার বিশাল আয়তন ও কারুকার্যময় স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল। বর্তমানে মূল স্থাপনাটির অধিকাংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও এর ধ্বংসাবশেষ ও বিশাল এলাকা জুড়ে থাকা প্রাচীন গাছপালা দর্শনার্থীদের ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে টানে। কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৫-৩০ কিলোমিটার। জেলা শহর থেকে নাগেশ্বরী হয়ে সড়কপথে সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। এই জমিদার বাড়ির সাথে জড়িয়ে আছে ব্রিটিশ আমলের প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের ইতিহাস। এছাড়া, এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে এই জমিদার পরিবারের বিশেষ প্রভাব ছিল। বর্তমানে এটি স্থানীয়দের কাছে একটি দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে পরিচিত।

00

প্রতিষ্ঠানসমূহ

বিস্তারিত দেখুন →

সর্বশেষ টিউশন

বিস্তারিত দেখুন →

সর্বশেষ চাকরি

বিস্তারিত দেখুন →

আপনার কুড়িগ্রাম

গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ

আমাদের সম্পর্কে আরও জানুন

যান